১. ০৬/০৩/১৯৮৯ইং গাজিরচর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য হই।
২. ১৯৯০-এ ঢাকার মিরপুর পিরের বাগ থেকে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি।
৩. ১৯৯৩ সালে মিরপুরের এমপি হারুন মোল্লার ইন্তেকালের পর উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মহসিন ভাইয়ের নির্বাচনে মিরপুর পিরের বাগের ভোট কেন্দ্র থেকে প্রথম পুলিশ আটক করে।
৪. ০২/০৭/১৯৯৮ইং ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই।
৫. ২৮/০৫/২০০৩ইং ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হই।
৬. ২৭/১২/২০০৯ইং কাউন্সিলের মাধ্যমে গাজিরচর ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই।
৭. ০৫/০৬/২০১৫ইং আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব নির্বাচিত হই।
৮. ২৯/০৯/২০১৬ইং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২য় বারের জন্য গাজিরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই।
৯. ০৯/১১/২০১২ইং ১৮ দলীয় জোটের অবরোধ পালন করতে গিয়ে বাজিতপুর হাইওয়ে রোড পিরিজপুর বাজারে পুলিশ ও আওয়ামীলীগের হামলায় আহত হই এবং আমার ছোট ভাই মোঃ খলিলুর রহমান গুরুতর জখম হয়ে ৫দিন ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিল।
১০. ২০/০২/২০১৪ইং বাজিতপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী আব্বা কি গেছেরা ভোটকেন্দ্র দখল করতে বাধা দিই এবং ঘটনাস্থলে তাদের সাথে মারামারি হয়। তখন আমি আহত হই এবং পরে মামলা হয়। সেই মামলায় আমি এবং আমার পরিবারের ৫জনসহ মোট ১৩জনকে আসামী করা হয়।
১১. ৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচনের পর থেকে পাঁচটি মামলা হয়, এর মধ্যে তিনটি মামলায় কারা ভোগ করি।
১২.